“চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য”– যন্তরমন্তরের অভিজ্ঞতা


  • July 25, 2026
  • (0 Comments)
  • 57 Views

দিল্লি বড় রুক্ষ। তার মাঝে আজ এই সবুজ, অবুঝ, কাঁচাদের সমারোহে এক অন্য ভারতকে দেখলাম।

 

বার্ণালী বসু

 

“তোমার কি কখনো এ কথা মনে হয়নি আসলে মুখোশ মোটেই বাইরের নয়। বরং ভিতর যাকে আমরা সত্যিকারের মুখ ভাবি,তেমন কিছুই মানুষের নেই। চেষ্টা করো মুখোশ ছিঁড়তে। তোমারই আঙুল বেঁকে যাবে তবু দৃশ্য বদলাবে না।“ – মুখোশ, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 

 

তবু তো কখনো কখনো মুখোশ ছিঁড়তে তে ইচ্ছে করে, ইচ্ছে করে মনের মধ্যে নানা বয়সে ফুটে ওঠা লাল, হলুদ, কমলা ফুলের উপর থেকে নিরাপত্তার আবরণ সরিয়ে রাখতে যাতে ঝড় উঠলে একবার অন্তত দূর থেকে দেখলে আগুন মনে হয়।

 

সেই রকম ইচ্ছে থেকেই যাওয়া। চারদিন আগে টিকিট কেটে। যাবার পথে সহযাত্রী বিহারি ভদ্রলোক মাঝে মাঝেই জোরে গান চালিয়ে দিচ্ছিলেন। চড়া গলার রাম ভজনে রময়ণীতা ছিল না বলে নয়, বারবার চিন্তার জাল ছিঁড়ে যাচ্ছিল ব’লে মৃদু প্রতিবাদ করলাম। একবার বললেন “আপনিও তো ফোনে কথা বলছিলেন রাতে।” দিল্লি যাচ্ছি বলে বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষীদের ফোন আসছিল বুঝলাম ভাষার প্রাথমিক বাধা সত্বেও আমার গন্তব্য সম্বন্ধে একটা প্রাথমিক ধারণা বোধহয় হয়েছে।

 

ভদ্রলোক ব্যবসা করেন সম্ভবত ট্যুরিজমের। সঙ্গীসাথীও ছিলেন কয়েকজন। মাঝে মাঝে আসছিলেন। আলোচনায় বুঝলাম সকলেই বিশুদ্ধ রাম ভক্ত নন। রাতে জলের বোতলে মিশিয়ে নেওয়া মদের মত একটু একটু দেশ, সরকারের বিষয়ে কথা বলে আমিষের গন্ধ নিয়ে সময়ের একঘেয়েমি কাটান। একটু পরে হঠাৎ কানে এলো – “রাহুল কওন সা বেটার??” আমার সহযাত্রী চাপা গলায় বললেন পাশের ম্যাডাম প্রোটেস্টে চলেছেন। গলা নামিয়ে কথা বলতে আরম্ভ করলেন বাকি তিন জন। মজাই পেলাম বেশ। দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে যাওয়ার প্রসঙ্গে এই বাক্যগুলো কোথায় প্রাসঙ্গিক সে কথায় আসছি পরে।

 

দিল্লিতে নেমে আজমেরি গেট দিয়ে বেরিয়ে মেট্রোর দিকে হাঁটছি। অজস্র পুলিশ এবং আধা সেনা, যাই হোক নেমে মেট্রো থেকে বেরিয়ে দেখলাম বৃষ্টি। কিন্তু তারই মধ্যে সারে সারে মানুষ চলেছেন যন্তর মন্তরের দিকে। তখন বড়জোর সকাল ন’টা হবে। ভাবলাম অফিস যাত্রীদের দল। বৃষ্টি একটু ধরতেই কাছের একটা চায়ের দোকানে চা খেতে খেতে আবিষ্কার করলাম সমস্ত ভিড়টাই চলেছে যন্তরমন্তরের দিকে। চায়ের দোকানের মানুষটি সবই শুনছেন মন দিয়ে, ভেতরের উত্তেজনা ফুটে উঠছিল তার চোখে মুখে। তারই বিস্ফোরণ দেখলাম এই ঐতিহাসিক ছাত্র যুব আন্দোলনে। ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, সাধারণ মানুষ কৃষক, শ্রমিক সবাই ছিলেন জমায়েতে। ছিলেন মিডিয়ার অজস্র মানুষ। সরকার পোষিত মিডিয়া হাউসগুলি ছাড়া সারা দেশের ও বিদেশের অসংখ্য মিডিয়ার মানুষজন ছিলেন। স্লোগান গুলোর মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবী তত ছিল না যত ছিল মোদীর প্রতি বিদ্বেষ, অবজ্ঞা, রাগ ও ঘৃণা। নীট পেপার লিক-এর প্রত্যক্ষ শিকার বহু ছাত্র-ছাত্রী ছিলেন কিন্তু তার চেয়ে অনেক গুণ বেশি ছিলেন সরকারের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা এবং বেপরোয়া ভাবের প্রতি বীতশ্রদ্ধ বিরক্ত মানুষ।

 

এত স্বতঃস্ফূর্ত, যে কোন শর্তে শান্তিপূর্ণ রেখে দিতে চাওয়া একটি প্রতিবাদ-মিছিল যার শরীর আদ্যোপান্ত ছাত্র-ছাত্রী দিয়ে গড়া এ আমি দেখিনি। এ যুবসমাজ দেখেননি আমার বয়সী বহু মানুষ। আমি যখন এসে পৌঁছলাম তখন যন্তরমন্তরের বাইরে ছেলেমেয়েদের বিশাল ভিড়। শেষ দেখা যাচ্ছে না। তখন সবে সকাল ন’টা। বারবার সিজেপি স্বেচ্ছাসেবকদের ঘোষণা শুনতে পাচ্ছি। প্রতিবাদীদের উদ্দেশ্যে শান্তি বজায় রাখার বার্তা দিচ্ছেন তাঁরা। ছাত্র-যুবর গর্জনে চাপা পড়ে যাচ্ছে তাঁদের কন্ঠস্বর। অন্যদিকে পুলিশ অনবরত ঘোষণা করে চলেছে যে একসঙ্গে দশ জন দেখলেই গ্রেফতার করা হবে। অজস্র পুলিশের গাড়ি, লকআপ ভ্যা্‌ আধা সেনায় মুড়ে ফেলা হয়েছে ওই চত্বর। তাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে জমা হচ্ছে বিশাল ভিড়।

 

খানিকক্ষণ পরে যন্তরমন্তরের ভিতরে ঢুকতে পারলাম। দেখলাম যারা বাইরে আসতে চাইছেন তাদের পুলিশ আসতে দিচ্ছে না। ভেতরে তখন বাইরের দ্বিগুণ মানুষ। বেলা বাড়তে বাড়তে মানুষের ঢল বেড়ে চলল। আমি ততক্ষণে পৌঁছে গেছি মঞ্চ থেকে ৫০ মিটার দূরত্বে। প্রকাশ রাজ, শাবানা আজমি মঞ্চে। প্রশান্ত ভূষণ, যোগেন্দ্র যাদব এলেন তার পরে পরেই। মঞ্চ থেকে অভিজিৎ দীপকে ঘোষণা করলেন তাঁরা প্রতিবাদ স্থলে সোনম ওয়াংচুকের প্রত্যর্পণ চেয়েছেন। সরকারকে এই মর্মে  দু’ঘণ্টা সময় দিয়েছেন ভাববার। বহুক্ষণ ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করে থাকা জনতার দাবি তারা আর এক ঘন্টা অপেক্ষা করবে। হাজার হাজার স্বপ্নসন্ধানীর কন্ঠে দাবি “সংসদ! সংসদ!”। একে একে যোগেন্দ্র যাদব, প্রশান্ত ভূষণ, শাবানা আজমি সবাই বললেন।

 

মঞ্চের সামনে থেকে কিছুটা পিছনে হেঁটে এসে একটা গাছের তলায় দাঁড়াতেই একটি মেয়ে আমার কাঁধে বড় ব্যাগ দেখে তার চেয়ার ছেড়ে বসতে দিল। এই সৌজন্য বারবার দেখলাম। যেমন মিছিলের সামনের সারিতে অপেক্ষাকৃত বয়স্ক বা মহিলাদের পিছনে রেখে নিজেদের এগিয়ে যাওয়া, চারপাশে বসে থাকা বন্ধুদের ক্রমাগত হাওয়া করে যাওয়া, ধাক্কা লেগে গেলে সঙ্গে সঙ্গে দুঃখ প্রকাশ করা নিজের বোতলে সামান্য জল থাকলেও কেউ জল চাইলে জলের বোতল এগিয়ে দেওয়া, প্রচন্ড গরমে বা ড্রিহাইড্রেটেড হয়ে গেলে অস্থির বন্ধুকে সবাই মিলে খোলা জায়গায় নিয়ে গিয়ে হাওয়া এবং জলের ব্যবস্থা করা – আরও অনেক এমন দৃশ্য ভিতরটাকে ভরিয়ে দিচ্ছিল বারবার। প্রসঙ্গত বলি, কুড়ি তারিখ প্রতিবাদ স্থলের এক থেকে দেড় কিলোমিটার ব্যাসার্ধ পর্যন্ত সমস্ত জল ও চায়ের দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ ছিল। যেমন মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো স্টেশনগুলি।

 

এক ঘন্টার মধ্যেই মঞ্চের সামনের ভিড় এগিয়ে যেতে লাগল সংসদ ভবনের দিকে। তরুণের স্বপ্ন সম্বল করে তাদের সঙ্গে এগিয়ে চললাম, “জ্যোতিবা ফুলেকে স্বপ্ন কো/ ভগৎ সিং কা স্বপ্ন কো/ গান্ধীজি কা স্বপ্ন কো/ মঞ্জিল তক লে যায়েঙ্গে”– এই স্লোগান দিতে দিতে। সঙ্গে মোদী-বিরোধী স্লোগান – “যব যব মোদী হারতা হ্যায় হিন্দু/মুসলিম করতা হ্যায়”। বার বার তিন জায়গায় প্রায় এক ঘন্টা করে আমাদের থামানো হলো। ছাত্রছাত্রীরা অসহিষ্ণু হয়ে উঠছিল কিন্তু ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে কখনোই শান্তিভঙ্গ করেনি। এরপর তারা ব্যারিকেড সরানোর চেষ্টা করতেই শুরু হলো লাঠিচার্জ। এবং ছাত্র ছাত্রীরা যখন সংসদ মার্গের পাশের পার্ককে কেন্দ্র করে চারদিকে ছড়িয়ে গেল তখন শুরু হলো টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ। ভিড় কিছুটা ছত্রভঙ্গ হলো বৃষ্টির কারণে। এবং লাঠি চার্জের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ায় ছাত্রছাত্রীরা পিছনে দৌড়তে আরম্ভ করলে বার বার পদপিষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হল। পুলিশ সবকিছু দেখেও লাঠিচার্জ না থামাতে দৃঢ় সংকল্প। একসময় সংসদ মার্গ সংলগ্ন অঞ্চল সম্পূর্ণ ভাবে ভরে গেল। চারপাশের বহুতলগুলি মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন অফিস। বারান্দায় দাঁড়িয়ে এই অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখছেন বহু মানুষ। এর মধ্যে নেতৃস্থানীয়দের পদযাত্রা শুরু হয়েছে। সংসদ ভবনের পথে যাওয়ার সময় গ্রেফতার হয়েছেন দীপকে। ছেলেমেয়েরা ক্লান্ত গরমে, জল কষ্টে। তার মধ্যেই একটি বড় অংশের নিরন্তর স্লোগানে মুখরিত চারদিক – “যব যব মোদি ডরতা হ্যায়, পুলিশ কো আগে করতা হ্যায়”।

 

সন্ধ্যে হয়ে আসছিল। রব উঠল দীপকেকে কিছুক্ষণ খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বেশ কিছুক্ষণ পরে সিজেপির সবাই এলেন ধর্না মঞ্চে এবং অনশন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দিলেন। তখন আবার ধর্নাস্থলে যে ছাত্রযুবরা ঢোকবার প্রবল চেষ্টা করছিল তাদের বাধা দিতে আরম্ভ পুলিশ। বেশ কয়েক বার টিয়ার গ্যাসের শেল ছোঁড়া হলো আবার। সেই সঙ্গে পুলিশের ধমকানি, শাসানি অব্যহত।

 

আমি যখন ওই জায়গা ছেড়ে রাতের আশ্রয়ের দিকে পা বাড়ালাম তখন আমার সঙ্গে ছিল অঙ্কিত। প্রথম থেকেই দু’জনে মা ছেলের মত একসঙ্গেই ছিলাম। ভিড়ের চাপে বারবার বিচ্ছিন্ন হয়েছি, বারবার দেখা হয়ে গিয়েছে। বিহারের কৃষক পরিবারের ছেলে অঙ্কিত। বিএসসি নার্সিং পড়ছে। এত শান্ত, গভীর, স্থিতধী দেখলে বড় ভরসা হয়। লক্ষ করছিলাম, যে আন্দোলনকারীরা যখন বাসের ছাদে উঠে পড়ছে, তখন ও হাতজোড় করে তাদের নেমে যেতে বলছে। কোথাও ধাক্কাধাক্কি হলেই, ছুটে গিয়ে থামাচ্ছে তাদের শান্ত করছে। এই আমার স্বপ্নের ভারত। আমার গর্বের, আমার আস্থার। ফেরার পথে কোনো গাড়িই চলছে না। কোনো দিক দিয়েই বেরতে দিচ্ছে না। পুলিশ কিংকর্তব্যবিমূঢ়।

 

আমার গন্তব্য ছিল দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ। টিয়ার গ্যাসের জ্বালায় চোখ আর গলা জ্বলছে। সামনে কিছু দেখতে পাচ্ছি না। দম বন্ধ হয়ে আসছে। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কোন এক সমর্থকের গাড়ি দাঁড় করানো ছিল, ভেতরে বসতে বলল ছেলেটি। জল দিল। একটু সুস্থ বোধ করে বেরিয়ে অনেকটা রাস্তা হেঁটে এলাম। পথে চা খেলাম, জল কিনলাম। সব ট্রাফিক থমকে আছে। সব জায়গায় প্রতিবাদের কথা। মোদী-বিরোধী ছাত্র যুব। সব এদিক-ওদিক দাঁড়িয়ে। পথের ধারে সাধারণ বিক্রেতা থেকে সাধারণ নাগরিক সবার চোখে মুখে নীরব সমর্থন।

 

এখানে আসার সময়ের ট্রেনের সহযাত্রীদের প্রসঙ্গে ফিরি একবার। সঙ্গে যোগ করি ফেরার প্রসঙ্গ। সহযাত্রীদের টুকরো টুকরো কথা জুড়ে যেটুকু বুঝলাম বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত নির্বিশেষে সমস্ত মানুষ মোহভঙ্গের চৌকাঠের কাছাকাছি। খোদ দিল্লির সাধারণ মানুষ, ছোট ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত সব্বাই কেউ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ক্রমগত বৃদ্ধি, কেউ সাম্প্রতিক পেট্রোল-ইথানল ব্লেন্ডিং, কেউ শিক্ষার ভয়ঙ্কর হাল, কেউ মজুরির স্বল্পতা, কেউ সরকারী সংস্থাগুলির বেসরকারীকরণের পরেও পেশাদারিত্বের চরম অভাব, কেউ অহেতুক মুসলিমবিদ্বেষ ইত্যাদি নানাবিধ কারণে ভয়ঙ্কর রেগে আছেন।

 

গদি মিডিয়ার কল্পিত ডিপ স্টেট এই চরম বিক্ষুব্ধ ডিপার স্টেটের কাছে নস্যি। কারণ যে হাতে সে ভোটের বোতাম টিপছিল, সে হাত এখন সে মুঠো করেছে গভীর হতাশাজনিত রাগে। প্রসঙ্গে ফিরি। দিল্লি বড় রুক্ষ। তার মাঝে আজ এই সবুজ, অবুঝ, কাঁচাদের সমারোহে এক অন্য ভারতকে দেখলাম। পরের দিন সকালে রবীন্দ্রনাথের একটি ছবি প্লাস্টিক ল্যামিনেশন করে পৌঁছলাম ধর্না স্থলে। দোকানের ভদ্রলোক সহযোগিতা করলেন পিচ বোর্ডের বাক্স জোগাড় করে দিয়ে। বাঁধার দড়ি দিয়ে। প্রতিবাদের প্রতি তাঁর প্রচ্ছন্ন সমর্থন অগোচর রইল না। কিছু খেয়ে অঙ্কিতের জন্য খাবার নিয়ে যাওয়ার এই সময়টুকুতে অঙ্কিত পাঁচবার ফোন করে ফেলেছে – “আন্টি আপ জলদি আও, ঘুস নেহি সাকোগি বহত ভিড় হ্যায়।” বললাম তার জন্য খাবার কিনছি। সে বলল কাল যেখানে জলের বোতল পর্যন্ত ছিল না আজ সেখানে জল ও নানারকম খাবার নিয়ে এসে ঢুকেছে শ’য়ে শ’য়ে লোক। তাকে নিশ্চিন্ত করে র‍্যাপিডো চেপে পৌঁছতেই কোথা থেকে জোগাড় করে আনলো একটা লাঠি। পুলিশের লাঠির ব্যবহারের ঠিক বিপ্রতীপে সে লাঠির ব্যবহার। তার মাথায় বাঁধা রবিছবি। বহুক্ষণ সে ধরে রইল সেই ছবি যার উপর লেখা বহুদূর থেকে পড়া যাচ্ছে –

 

Where the mind is led forward by thee into ever-widening thought and action into the heaven of freedom, my father, let my country awake.’

 



লেখিকা একজন স্কুল শিক্ষিকা।


Share this
Leave a Comment