স্কটসবোরোর কৃষ্ণাঙ্গ যুবকদের বাঁচান!


  • March 7, 2024
  • (0 Comments)
  • 309 Views

[উনিশশো বত্রিশ সাল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণে চালু বর্ণবাদী জিম ক্রো আইন। একদিকে উত্থান ঘটছে ছোট হলেও অতীব ক্ষুরধার মেধাসম্পন্ন একটি কৃষ্ণাঙ্গ বুদ্ধিজীবী শ্রেণির। অন্যদিকে বাড়ছে কৃষ্ণাঙ্গ গণহত্যার প্রকোপ। সেই গণহত্যার গল্পে মূলগতভাবে অপরাধী কৃষ্ণাঙ্গ যৌনতার প্রচলিত আখ্যান একটি বড় ভূমিকা পালন করবে। যেমন করেছিল স্কটসবরো বয়েজদের (Scottsboro Boys’) বেদনাবিধুর গল্পে। স্কটসবরো বয়েজদের বিরূদ্বে রাষ্ট্রীয় অবিচার, যা কিনা আসলে পরিচালিত হয়েছিল এক প্রগাঢ় গণধোলাইমূলক মানসিকতার দ্বারা, তার বিরুদ্ধে জোরালো লড়াই গড়ে তুলেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কমিউনিস্ট পার্টি। সংহতিতে দাঁড়িয়েছিলেন বাকি পৃথিবীর কমিউনিস্টরাও। সেই সংহতি আন্দোলনের একটি অগ্রণী মুখ ও কণ্ঠস্বরের নাম ক্লারা জেটকিন, জার্মান কমিউনিস্ট নেত্রী। যাঁর হাত ধরেই ৮ মার্চের আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবসের প্রতিষ্ঠা। 

 

আজকের সময়ে দাঁড়িয়ে ভাবি, কী কঠিন বাঁকের মুখেই না দাঁড়িয়েছিলেন তাঁরা! একদিকে, নারী আন্দোলনের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে শ্রেণি ও বর্ণের প্রশ্নটিকে। আর, সেই সংযুক্তির হাত ধরে, বুকে পাথর রেখেও স্বীকার করতে হবে যে ধর্ষণ ও যৌন নিগ্রহ সম্পর্কে মিথ্যাচার করেন মেয়েরাও। বিশেষত, মাঝখানে যখন থাকে অপরত্বের রাজনীতি। স্কটসবরো বয়েজ গোটা মামলাটি যেমন দাঁড়িয়েছিল দুই শ্বেতাঙ্গ নারীর ধর্ষণের মিথ্যা বয়ানের ওপর। আজ মিটু পরবর্তী সময়ে, যৌন হয়রানির লিঙ্গ রাজনীতি যখন জটিল থেকে জটিলতর, তখন দৃষ্টি ফেরানো প্রয়োজন এইসব জটিল ইতিহাসের দিকে। পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন ঠিক কী কী ভাবে জঙ্গি কমিউনিস্ট দিশায় পরিচালিত শ্রমজীবী নারী আন্দোলনের ভেতরেই গড়ে উঠেছিল বর্ণবাদ বিরোধী লড়াইও। Clara Zetkin: Selected Writings বই থেকে নেওয়া এই লেখাটিঅনুবাদ করেছেন তিথি রায়।]

 

 

এমওপিআর (MOPR)-এর কমরেড ও সাথিরা, যাঁদের হৃদয়ে এখনও ভালোবাসা আছে, যাঁদের প্রাণ এখনো অপরের জন্য কাঁদে, তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হন। এই অবিশ্বাস্য ও জঘন্য বিচারবিভাগীয় ও রাষ্ট্রীয় অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে, বিচারব্যবস্থার ভিতরেই এই জাতীয় প্রতিহিংসামূলক অপরাধ এই প্রথম নয়। তাই, আপনাদের সিদ্ধান্ত ও দ্রুত পদক্ষেপ ব্যতীত, এই ঘটনাটিও অপরাধ এবং রাষ্ট্রীয় বিচারের অব্যবস্থার ইতিহাসে সাক্ষী হয়ে উঠবে অচিরেই।

 

সাক্কো ও ভাঞ্জেত্তির (দুই নিরপরাধ ব্যক্তি যাদের বুর্জোয়া বিচারব্যবস্থায় বৈদ্যুতিক চেয়ারে বসিয়ে পুড়িয়ে মারা হয়) হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সার্বিক বিতৃষ্ণার স্মৃতি এখনও মরেনি। তা সত্ত্বেও, সেই রাষ্ট্রীয় জল্লাদরা ওই একইধারার নির্যাতন ও হত্যা-পদ্ধতিকেই ব্যবহার করে, একই ঢিলে আট-আটটি তরতাজা, নিরপরাধ প্রাণের বিনাশসাধনে মুখিয়ে উঠেছে।

 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা রাজ্যে, নয় জন সদ্য কৈশোরোত্তীর্ণ যুবকের (সবচাইতে বড়টির বয়স ২০) ভেতরে শুধুমাত্র এক জনকেই যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, বাকি আট জনের জন্য মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্রীয় বিচারবিভাগ।

 

তাঁরা যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত, তা সর্বৈব মিথ্যা। এবং সেই মিথ্যা প্রমাণিত হওয়া  সত্ত্বেও, তাদের বিরুদ্ধে এমনই একটি রায় দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। প্রসঙ্গত, তাঁদের ওপর দুই শ্বেতাঙ্গ যৌনকর্মীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ আনা হয়েছে। নিজেদের অশুভ স্বার্থ চরিতার্থে, সচেতনভাবেই এই মিথ্যা অভিযোগ এনেছে জমির মালিক এবং শিল্প উৎপাদকেরা। এই কৃষ্ণাঙ্গ যুবকদের পুড়িয়ে মেরে মালিক ও উৎপাদক শ্রেণি চায় মার্কিন দেশের কৃষ্ণাঙ্গ জনসাধারণকে আতঙ্কিত করে তুলতে। বুর্জোয়া মালিক শ্রেণি বুঝেছে, নিজেদের শোষণ ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে জেগে উঠছে দেশের কৃষ্ণাঙ্গ জনতা। শ্বেতাঙ্গ ভাই-বোনেদের সাথে মিলিত হয়ে চরম দারিদ্র, সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ এবং রক্তমাখা শ্বেত সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তারা একটি সাধারণ ফ্রন্ট গঠন করেছে।

 

প্রথম থেকেই, এমন গুরুতর অভিযোগের কোনো ভিত্তি ছিল না এবং কোনো পূর্ণাঙ্গ তদন্তও সেই অর্থে হয়নি। অভিযোগকারীদের মধ্যে এক জন অবশেষে স্বীকার করেছেন যে তাঁর প্রাথমিক অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা। যদিও বিচারকরা এই বিষয়টিকে পুরোপুরি উপেক্ষা করেছেন। এমনিতেই, আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ গণধোলাইয়ের বাস্তবতা দাঁড়িয়ে আছে কৃষ্ণাঙ্গ জনতার বিরুদ্ধে সাদাদের তীব্রভাবে ঘৃণ্য এক জাতিবিদ্বেষের ওপরে, নিজেদের শ্বেতাঙ্গতার অহংকার এবং নিম্ন রুচির মানবিক ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের  অভিব্যক্তি হিসেবেই সে দেশ জুড়ে জেগে উঠছে  কৃষ্ণাঙ্গদের পিটিয়ে মারার মতো পাশবিক বাস্তবতা। এবং তা ঘটে চলেছে গোটা আলাবামা রাজ্য জুড়ে, যেখানে শ্বেতাঙ্গরা প্রায় সর্বসময়েই খুঁজে বেড়াচ্ছে তাদের শিকার। তাদের নিজেদের ঘৃণ্য সন্তুষ্টির জন্যই, আট জন কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে অত্যাধুনিক বৈদ্যুতিক চিতায় পুড়িয়ে মারতে চাইছে তারা।

 

আলাবামার সুপ্রিম কোর্ট এই ঘটনা নিয়ে কোনো রায় এখনো দেয়নি। সেই কারণেই, জাতি বিদ্বেষী এই ঘৃণ্য রায়ের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে এখনো কোনো আবেদন করা যায়নি। তারপরও জাতিগত বিদ্বেষ এবং গণধোলাইয়ের যে বর্বর পরিবেশ ও মনোভাব বিচারব্যবস্থা এবং বিচারকের রায়ের মধ্যে দিয়েও জারি থেকেছে, তা সাধারণের মধ্যে ভয় তৈরি করছে। হয়তো, আলাবামার সুপ্রিম কোর্টের শেষ নিষ্ঠুর রায় এতই দেরিতে বেরোবে এবং মৃত্যুদণ্ড এতই দ্রুতগতিতে সমাধা হবে যে বিষয়টি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টে আপিলে যাওয়ার আর সময়ই থাকবে না। এই ভয়ঙ্কর সম্ভাবনার মুখে দাঁড়িয়ে, অবিলম্বে আপনাদের সমস্ত শক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। এখন নষ্ট করার মতন সময় আমাদের হাতে নেই এবং প্রতিটা মিনিট আমাদের ব্যবহার করতে হবে যাতে করে এই আটজন যুবক বৈদ্যুতিক চেয়ারে পুড়ে মরার হাত থেকে রক্ষা পায়।

 

সকল দেশের MOPR এর কমরেড ও বন্ধুরা! এটা স্পষ্ট যে আপনারা সমস্ত শক্তি দিয়ে এবং একাগ্র হয়ে আমাদের দাবিগুলোকে  সমর্থন করবেন আমাদের দাবি: “আসুন বন্ধুরা, আমরা আটজন কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে বৈদ্যুতিক চেয়ারে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করি,  কারাগার থেকে মুক্ত করি। আসুন, আমরা সাহসী এবং দোষী সাব্যস্ত শ্রমিক নেতা টম মুনি ও ওয়ারেন বিলিংস সহ হারলান খনি শ্রমিক এবং অন্যান্য সমস্ত রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্ত করি।” হ্যাঁ, একমাত্র আপনারাই পারেন এইভাবে আপাতদৃষ্টিতে যা অসম্ভব তাকে সম্ভব করে তুলতে। আট-আটজন কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে বাঁচানোর জন্য আপনাদের নিঃস্বার্থ, উদ্যমী প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করুন। ঠিক এইভাবেই আপনারা জাতিগত বিদ্বেষ, গণধোলাইয়ের মতো অন্যায় এবং শোষণের চোখ-রাঙানির বিরুদ্ধে দৃঢ়, অবিচল অগ্রগামী বাহিনী হয়ে উঠবেন। বিচারাধীন আট কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যু ঠেকাতে জনগণের অজেয় শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে আমাদের।

 

আপনারা যাঁরা এখনও মানবিকতায় বিশ্বাস রাখেন, যাদের হৃদয় মরমি! আসুন, আমরা এই আট জন কৃষ্ণাঙ্গ যুবককে এই জল্লাদদের হাত থেকে বাঁচাই, বৈদ্যুতিক চিতার হাত থেকে বাঁচাই। আসলে, তাঁদের অপরাধ একটাই — তারা জন্মেছে গায়ে কালো রঙের চামড়া নিয়ে। এই বর্ণবাদের বিরুদ্ধে আপনারা সোচ্চার হন, ও দ্রুত পদক্ষেপ নিন! আপনাদের লড়াইয়ে সামনের সারিতে থাকবেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অসংখ্য ব্যক্তিমানুষ, যাঁরা ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে। তাঁরা ভুলে যাননি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এমন পুরুষ এবং মহিলার সংখ্যা কম নয় যাঁরা অসম্ভব সাহসী ও দৃঢ়চেতা। তাঁরা তাদের খ্যাতি, সামাজিক অবস্থান, স্বাস্থ্য উপেক্ষা করেছেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েছে্ন কালো মানুষের দাসত্বের অবসান ঘটাতে। তাঁরা লড়ে গেছেন কালো মানুষের মুক্তির উদ্দেশ্যে, তাঁদের কৃষ্ণাঙ্গ ভাইবোনদের সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে। এই মহান মৃত ব্যক্তিরা যে বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা কেবল পণ্ডিতের কলমেই আটকে থাকলে চলবে না, আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মের ভেতরেই স্থান দিতে হবে সেই আদর্শকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে চিরকালের জন্য বিধৃত আছে সেই সাহসী পুরুষ ও মহিলাদের কর্মবিবরণী, যাঁরা  নির্ভীকভাবে সমস্ত নিপীড়িত এবং প্রান্তিক মানুষের মুক্তি এবং সাম্যের লড়ায়েই এগিয়ে এসেছেন; সমাজের গভীর শিকড়ে থাকা ঘৃণা ও পক্ষপাতের বিরুদ্ধে, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় গণযুদ্ধে লড়াই করেছেন। ইতিহাসের এই উজ্জ্বল অধ্যায়ের পাশাপাশিই কৃষ্ণাঙ্গ যুবকদের হত্যা, কালো মানুষদের পিটিয়ে মারার মতো অন্যায় অবিচারের অন্ধকার ও রক্তাক্ত অধ্যায়কে আমার কিছুতেই ঠাঁই দিতে পারি না।

 

আপনারা একবার ভেবে দেখুন বন্দিদশায় এই ছেলেদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ এবং ভয়াবহতা সম্পর্কে। প্রতিটি দিন এবং প্রতিটি ঘণ্টা তাঁদের জীবন জ্বলন্ত এক প্রশ্নের সম্মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। হয়তো আগামীনকাল বা আগামী পরশু, জল্লাদ এসে গরাদ খুলবে, নিয়ে যাবে কারাগারের অন্ধকার থেকে মৃত্যুর দিকে। জাতিবিদ্বেষের বেদিতে বলিদান দেওয়া হবে কতগুলো নিষ্পাপ ফুটফুটে প্রাণ।

 

এমওপিআর-র কমরেডস ও বন্ধুরা, যদি আপনাদের হৃদয় ও মস্তিষ্ক এখনো সত্যিই জীবিত থাকে, তবে আপনারা চিৎকারে ফেটে পড়ুন! এগিয়ে আসুন! বিপুল জনতার অপ্রতিরোধ্য শক্তি দিয়ে চিৎকার করে ঠেকাতে হবে এই জাতিবৈষম্যমূলক রায়কে। মানুষকে পিটিয়ে মারে যে মানুষরূপী জন্তুরা, তাদের চিৎকার-কে আমাদের চিৎকার দিয়ে প্রতিহত করতেই হবে। আপনারা আপনাদের হাত শক্ত করুন। বিপুল এই জনতার একত্রিত মুষ্টিবদ্ধতা এমন এক শক্তি তৈরি করবে যা এই বিচারের রায়কে নস্যাৎ করে দেবে, উল্টে দেবে বৈদ্যুতিক চেয়ারও। আর আপনারা যাঁরা আজ আট জন কৃষ্ণাঙ্গের মুক্তির জন্য এই যুদ্ধে নীরব থাকছেন, অপ্রত্যাশিতভাবে নিজেদের দৃষ্টি ফিরিয়ে নিচ্ছেন অন্যদিকে, একপাশে সরে যাচ্ছেন, আপনারা জেনে রাখুন — এই জঘন্য অপরাধের দায় নিতে হবে আপনাদেরও। এই নিস্পৃহতা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এবং সমগ্র মানবজাতির কাছে লজ্জা ও কলঙ্কের এক অমোঘ স্মারক হয়ে থাকবে।

 

বৈদ্যুতিক চেয়ারের হাত থেকে এই আট জন তরুণের জীবন উদ্ধারের লড়াই আমাদের সে-ই বিশ্বব্যাপী ঐতিহাসিক সংগ্রামের অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যেখানে আমরা এতকাল ধরে বলে এসেছি যে অতীত সমাজের অসভ্যতা-বর্বরতাকে শেষ করে, জাতিবিদ্বেষের মূলে আঘাত করে, সমতা ও মানবতা প্রতিষ্ঠার কথা। এই সংগ্রামে মানবতাকে বিজয়ী হতে-ই হবে। আমরা প্রত্যেকেই যদি ধারাবাহিকভাবে আমাদের প্রতিস্পর্ধার সবটুকু দিয়ে লড়ে যেতে পারি তাহলে আমাদের জয় নিশ্চিত। আসুন আমরা সেই কর্মে ব্রতী হই, লড়ে যাই একনাগাড়ে! এবং আমরা ব্রতী হই একটি শক্তিশালী MOPR গড়ে তোলার জন্যও, যা শ্বেতাঙ্গ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সদাপ্রস্তুত। জাতি ও রাষ্ট্র নির্বিশেষে শ্রমিকদের আন্তর্জাতিক সংহতি দীর্ঘজীবী হোক!

 

টীকা:

১৯২২ বাইশ সালে কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশানাল দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এমওপিআর (MOPR)-র পুরো নাম Mezhdunarodnaia Organizatsiia Pomoshchi Revoliutsioneram। এমওপিআর কে কল্পনা করা হয়েছিল রেড ক্রসের বিশ্বজোড়া কমিউনিস্ট/ বামপন্থী একটি বিকল্প হিসেবে।

 

Share this
Leave a Comment