জমি আন্দোলনের জমিতে ধর্মের আল। নন্দীগ্রাম মহাপঞ্চায়েতে বিজেপিকে ভোট না-দেওয়ার ডাক।


  • March 14, 2021
  • (0 Comments)
  • 1004 Views

বার বার নির্বাচনমুখী পাঁচ রাজ্যের কৃষকদের, সাধারণ ভোটারদের যে কথা বলতে বলতে মুখের ফেনা তুলে ফেলছেন কৃষক নেতৃত্ব, সে কথাই আবার বললেন। বললেন, কোনও রাজনৈতিক দলের সভা নয়। আমরা কারও পক্ষে ভোট চাইতে আসিনি। আপনারা যাকে খুশি ভোট দিন কিন্তু বিজেপিকে নয়। কেন নয় তা বোঝাতে গিয়ে গণতন্ত্রের কথা উঠল, উঠল সাংবিধানিক অধিকারের কথা। নয়া কৃষি আইন দেশের সব কৃষককে কীভাবে ধ্বংস করে দেবে উঠল সে কথাও। নন্দীগ্রাম থেকে দেবাশিস আইচের প্রতিবেদন।

 

১৪ মার্চ আমাদের সঙ্গে কে ছিল? দিদি ছিলেন। শুভেন্দু কোথায় ছিল?

চারটে বাজলেই তো চলে যেত। সবসময় দিনের বেলা আসত। রাতে বোমা-বন্দুকের মোকাবিলা তো আমরাই করেছি।

জান দিয়েছি আমরা। আন্দোলন করেছি আমরা।

হ্যাঁ, ও দশ-বিশ হাজার করে দিয়েছে। ওই…

ধুর, ওই টাকাও দিদি দিয়েছে।

 

ছেঁড়া ছেঁড়া কথা। একের কথা পিঠে বলে যাচ্ছিলেন আরেকজন। সকলেই নন্দীগ্রামের বাসিন্দা। ১৪ মার্চ ‘নন্দীগ্রাম দিবস’। তারই প্রাক্কালে বাইপাস মাঠে কৃষক মহাপঞ্চায়েতে যোগ দিতে এসেছিলেন ওঁরা। নুরুল ইসলাম, আনোয়ারা বিবি, শেখ সাহেবুলরা। কথায় কথায় নন্দীগ্রাম আন্দোলন, তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান নেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছিলেন ওঁরা। দিদির প্রতি অটুট আস্থার এই চাষি, চা ওয়ালা, গৃহবধূরা কেউ কেউ নন্দীগ্রাম পর্বের আগে সিপিএম করতেন। বাম আমলে ভেস্টের জমি বণ্টনে উপকৃত কেউ কেউ। সেই জমি শিল্পের জন্য ‘কেড়ে’ নেওয়ার কথা উঠতেই যাঁরা দল ছেড়ে হয়ে উঠেছিলেন ‘নন্দীগ্রাম ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি’-র এক একজন কৃষক সেনা। বাকিটা ইতিহাস। যদিও ২০০৪-০৫ সাল থেকেই, প্রতিবাদ আন্দোলন একরকম শুরু হয়েছিল। ২০০৫ সালে গড়ে ওঠে ‘কৃষক উচ্ছেদ বিরোধী ও জনস্বার্থ রক্ষা কমিটি’। এসইউসির স্থানীয় নেতাদের উদ্যোগে গড়ে উঠলেও সিপিএম, সিপিআই, তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক, সদস্যরা এই কমিটিতে যোগ দিয়েছিলেন। এই গণ সংগঠন, ২০০৫ সালের শেষাশেষি তৈরি হওয়া সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীর  জমায়েতে উলেমায়ে হিন্দ, পিসিসি সিপিআই(এম এল)-এর নেতৃত্বে তৈরি হওয়া গণ উন্নয়ন ও জন অধিকার মঞ্চ, ২০০৬ এর শেষে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস গঠিত ‘কৃষি জমি রক্ষা কমিটি’ এবং প্রণব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে গঠিত ‘জন ও গণ অধিকার মঞ্চ ৫ জানুয়ারি একযোগে গঠন করেন ‘ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি’। ৫ ও ৬ জানুয়ারি নন্দীগ্রামের এক সভায় এই কমিটি তৈরি হয়। তথ্য বলছে, ২০০৭ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এই আন্দোলনে তৃণমূল কংগ্রেস বা তাদের সমর্থকরা থাকলেও তৎকালীন কাঁথির তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী ছিলেন না। ৬ জানুয়ারি গড়চক্রবেরিয়ায় প্রতিরোধ কমিটির ডাকা জনসভায় প্রায় ৩০-৪০ হাজার জনসমাবেশ ঘটে। এই সভাতেই প্রথম দেখা যায় এবং অন্যতম বক্তা ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী।

 

২০০৫-এর ১২ সেপ্টেম্বর ‘হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ পাঁচটি থানার ১৩৯টি মৌজার ৫৮ হাজার একর জমি এসইজেড অধিগ্রহণের প্রস্তাব (মেমো নং-৮৮৮/ এইচডিএ/ ভিআইটি-এম-৭২/০৫) পাঠিয়েছিল। তার মধ্যে ছিল নন্দীগ্রামের ৩৮টি ১৯ হাজার ১৯৬.১৯ একর জমি। একটি হিসেব বলছে, এর ফলে ১৫ হাজার পরিবার তাদের ঘরবাড়ি-সহ উচ্ছেদ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এই এলাকার মধ্যে ছিল, ১২৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৩টি মাদ্রাসা, ১১২টি মন্দির, ৪২টি মসজিদ। শ্মশান, গোরস্থান, দোকানপাট, হাট-বাজার।

 

যে জমি, ঘরদোর, বিদ্যালয়-মাদ্রাসা, মন্দির-মসজিদ, শ্মশান-গোরস্থান রক্ষা করার লড়াইয়ে এত মৃত্যু, রক্তপাত, গোলাগুলি। সেখানে কোথাও ‘হিন্দু না ওরা মুসলিম’ এই জিজ্ঞাসা উঠে আসেনি। ১৪ মার্চ, সরকারি হিসেব মোতাবেক ১৪ জন মৃতের তালিকায় চোখ বুলিয়ে কেউ ধর্ম পরিচয় খুঁজতে যায়নি। আক্রান্ত হয়েছেন সিপিএম-এর সমর্থকরা, খুন হয়েছেন, দলে দলে ঘরছাড়া হয়েছেন — অভিযোগ উঠেছে ‘জমি কমিটি’র বিরুদ্ধে, কমিটির ‘ধর্ম’ নিয়ে টানাটানি হয়নি। উলটো দিক দিয়েও তা সত্য। কেউ হিসেব কষেননি জমি কমিটির কত শতাংশ কোন ধর্মের কিংবা সরকার বা সিপিএমই-বা কোন ধর্মের প্রতিনিধিত্ব করে।

 

রাজ্যের সামাজিক আন্দোলনের  অন্যতম কর্মী কুশল দেবনাথ ১৪ মার্চ নন্দীগ্রাম আন্দোলনকে স্মরণ করে সমাজমাধ্যমে লিখছেন: “জয়দেব দাস, রাজা শেখ, ভরত মন্ডল,বাসন্তী কর,শেখ সেলিম সহ আরো অনেকের নাম হয়তো আমাদের অনেকের মনে নেই। … নন্দীগ্রামের মানুষ সংগ্রামের মাধ্যমে সম্প্রীতির এক অসামান্য নজির সৃষ্টি করেছিল। ঐ সময় নন্দীগ্রামে বিভিন্ন নেতাদের বক্তব্য শুনেছিলাম। যার মধ্যে একজন ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অন্য রাজনৈতিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য তিনি ছিলেন। কিন্তু তরুণ এক নেতার দৃপ্ত ভাষন ভালো লেগেছিল। যে বক্তব্যে সংগ্রামের সাথে মৈত্রীর আবেদন ছিল।

 

২০২১ সালে নন্দীগ্রাম ভোটের লড়াই এ সংবাদের শিরোনামে। এই লড়াই এ সেদিনের তরুণ শুভেন্দু অধিকারী আজ বিজেপির প্রার্থী। নিজেকে যিনি ভূমিপুত্র ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পথিকৃত বলে দাবী করছেন। কিন্তু আজকে তার অবস্থান কি সত্যি নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সাথে মেলে? আগেই বলেছি নন্দীগ্রামের আন্দোলন ছিল সংগ্রাম ও মৈত্রীর অপূর্ব মেলবন্ধন। আর আজ শুভেন্দু নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে বলছেন যে মাননীয়া তিরিশ পারসেন্টের উপর ভরসা করে ভোটে দাঁড়িয়েছেন। আর আমার সাথে আছে সত্তর শতাংশ। শ্লোগান দিচ্ছেন কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে পদ্মফুল ঘরে ঘরে। অর্থাৎ বিদ্বেষ বিভাজনের কুৎসিত বক্তব্য রাখছেন নন্দীগ্রামের মাটিতে। যেটা ফাসিস্ত সঙ্ঘপরিবার ও বিজেপির এজেন্ডা।” (বানান অপরিবর্তিত)।

 

১৩ মার্চ সাধারণের মুখ থেকে ঝরে পড়া উদ্বেগে ওই ‘বিদ্বেষ বিভাজনের’ রূপটি স্পষ্ট হলো। পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক পূর্ব মেদিনীপুরের এক প্রবীণ সাংবাদিক তো স্পষ্ট বললেন, শুভেন্দুর বিজেপিতে আনুষ্ঠানিক যোগ দেওয়ার আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। হনুমান জয়ন্তীতে বাস ভাঙচুর করা হলো। এটা করানো হলো। লোকে তো বলছে লোকজন লাগিয়ে শুভেন্দুই করিয়েছে। এখন তো শুভেন্দুকে প্রকাশ্যে বলতে শোনা যাচ্ছে, তৃণমূল ফের ক্ষমতায় এলে, “আপনাদের তিলক কাটতে হবে না। গলায় কণ্ঠি পড়তে হবে না। বাংলা কাশ্মীর হয়ে যাবে। এমনকি বাঙালিকে মন্ত্র শেখাতে আদিত্যনাথকে আমন্ত্রণ জানানোর কথাও বলছেন তিনি।”

 

নুরুল ইসলাম বলছিলেন, দুর্গাপুজো থেকে হিন্দুদের সব পুজোয় সঙ্গে থাকি। আমরা চাঁদা দিই। আমরা শীতলা বিবির কাছে যাই কেন? সিন্নি চড়াই কেন? এক তরুণ চা-দোকানি ফসল তোলা মাঠের মধ্য দিয়ে সভাস্থলে যেতে যেতে বলছিলেন, দাঙ্গা বাঁধানোর চেষ্টা হচ্ছে। নন্দীগ্রামে তা হবে না। আমরা একসঙ্গে লড়াই করেছি। একসঙ্গে উঠিবসি, সুখদুখ্যে থাকি — অত সহজ হবে না।” প্রবীণ এক ব্যক্তি বললেন, “পাঁচজনের সঙ্গে মিশি তো। কথাবার্তায় বোঝা যায়।” কথা শেষ করলেন না, তবে যে কথাটা উচ্চারণ করলেন না, কিন্ত বোঝা গেল, তা হলো দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন ঘটছে। চিড় ধরছে। জমি আন্দোলনের জমিতে ধর্মের আল দিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগ সর্বত্র এরকমই। এই প্রেক্ষাপটে অনুষ্ঠিত হলো কৃষক মহাপঞ্চায়েত।

 

পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে একের পর এক মহাপঞ্চায়েতে যে জাঠ কৃষক নেতারা বিজেপিকে একঘরে করে ছেড়েছেন — তার অন্যতম প্রধান নেতা রাকেশ টিকায়েত ছিলেন সভার ‘স্টার অ্যাট্রাকশন’। সে কথা  বোঝা গেল তাঁর আগমনে। ঘণ্টাখানেক বাদে যাঁর গলায় শোনা যাবে সেই সামাজিক বয়কটের কথা, “ভোট তো ছোড়িয়ে, ইসবার বিজেপি কো চাউল মাঙ্গনে নেহি দিজিয়ে।”  কলকাতা থেকে যাওয়া অন্তত ৫০-৬০টি গাড়ি, খান তিন-চার দূরপাল্লার বাস, স্থানীয়দের বাইক-অটোয় বার বার জ্যামজটে বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ড পরবর্তী সংকীর্ণ বাইপাস। রাকেশ টিকায়েতকে তাই কাটা ধানের উঁচিয়ে থাকা নাড়া, এবড়ো-খেবড়ো জমি ধরে সদলবলে হেঁটে আসতে হলো। সেটা বড় কথা নয় এত তাঁদের মতো কৃষকদের কাছে রুমাল-পরিমাণ জমি। মঞ্চে তখন ভাষণ দিচ্ছেন কৃষক আন্দোলনের বর্ষীয়ান নেতা সর্বজনশ্রদ্ধেয় বলবীর সিং রাজ্জেওয়াল। কারা যেন বলল, টিকায়েতজি আসছেন। আর প্রবল জয়ধ্বনিতে ফেটে পড়ল মাঠ। রাজ্জেওয়াল বক্তৃতা থামিয়ে হেসে ফেললেন।

 

বার বার নির্বাচনমুখী পাঁচ রাজ্যের কৃষকদের, সাধারণ ভোটারদের যে কথা বলতে বলতে মুখের ফেনা তুলে ফেলছেন কৃষক নেতৃত্ব, সে কথাই আবার বললেন। বললেন, এ কোনও রাজনৈতিক দলের সভা নয়। আমরা কারও পক্ষে ভোট চাইতে আসিনি। আপনারা যাকে খুশি ভোট দিন কিন্তু, বিজেপিকে নয়। কেন নয় তা বোঝাতে গিয়ে গণতন্ত্রের কথা উঠল, উঠল সাংবিধানিক অধিকারের কথা। নয়া কৃষি আইন দেশের সব কৃষককে কীভাবে ধ্বংস করে দেবে উঠল সে কথাও। কৃষক নেতা বললেন, “কেন্দ্রে বসে আছে লুঠেরা সরকার। গণতান্ত্রিক সরকার হলে এসে কথা বলত। কৃষকের দাবি মেনে নিত।”  উঠল কর্পোরেটের কথা আর কৃষিকে ফসলকে, চাষিকে বড় বড় কোম্পানির কাছে বেচে দেওয়ার কথা।  উঠল ১০০ দিনের উপর দিল্লির সীমান্তে বসে থাকার কথা। অন্তত ২৮০ জন কৃষকের অকাল মৃত্যুর কথা। কৃষক নেতারা বললেন, মৃত কৃষকদের পরিবারকে সহানুভূতি জানানোর সময় হয়নি দেশের প্রধানমন্ত্রীর।

 

১৪ মার্চ পুলিশের গুলিচালনা ১৪ জনের মৃত্যুর পর মেধা পাটেকর এসেছিলেন নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রামের বর্তমান নির্বাচনী রাজনীতি সম্পর্কে তিনি যে ওয়াকিবহাল তা বোঝা গেল মেধার বক্তৃতায়। তিনি বললেন, “নন্দীগ্রামের মানুষ জাতি-ধর্ম, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আন্দোলন করেছেন। সেই নন্দীগ্রামে ধর্মীয় বিভেদের রাজনীতি করা হচ্ছে।” বিজেপি ক্ষমতায় এলে শিল্পপতিরা কৃষকের জমি হাতানোর চেষ্টা করবে বলে মন্তব্য করেন মেধা।

 

কলকাতা, নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর, আসানসোল পাঁচ-পাঁচটি মহাপঞ্চায়েত আজ শেষ হলো। এই মহাপঞ্চায়েত আয়োজনে এ রাজ্যের শিখ সমাজের, সে সমাজের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার, প্রতিটি মহাপঞ্চায়েতে কৃষক ঝান্ডা উড়িয়ে উপস্থিতি দেখে তরুণ রাজনৈতিক কর্মী শঙ্কর দাসের মন্তব্য, “দিল্লিতে গিয়ে দেখেছি, এখানেও দেখলাম। এমনটা আর দেখিনি। একটা জাতি আন্দোলনের জন্য তাঁদের তন-মন-ধন সবই যেন উৎসর্গ করে দিয়েছে।”

 

মানতেই হলো। বাংলার মানুষকে, কৃষককে জাগিয়ে তুলতে যেন জান লড়িয়ে দিলেন ওঁরা। জান লড়িয়ে দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় কৃষক নেতৃত্বও। শুধু তো বাংলা নয়, পাঁচ নির্বাচনমুখী রাজ্য নয়, দেশের ২৯টি রাজ্যে মহাপঞ্চায়েতের আয়োজন করা তাঁদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে বাংলার মানুষকে, কৃষককে জাগিয়ে তুলতে এগিয়ে এলেন হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা, রাজস্থান থেকে আসা কেন্দ্রীয় কৃষক নেতৃত্ব। বিজেপি-আরএসএস-এর বয়ানের এমন বিরুদ্ধ বয়ান, এমন আন্দোলন কি গড়ে তুলতে কি পারব আমরা?

 

Share this
Tags :
Leave a Comment