সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও তিনদিনব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচীতে শামিল প্রকল্প কর্মীরা


  • August 7, 2020
  • (0 Comments)
  • 1320 Views

সারা দেশ জুড়ে প্রকল্প কর্মী অর্থাৎ অঙ্গনওয়াড়ি, আশা, মিড ডে মিল, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন, সমগ্র শিক্ষা মিশন ইত্যাদি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা এই কোভিড ১৯ পরিস্থিতিতে সরকারের কাছে ২৫ দফা দাবিতে শুক্রবার ৭ আগস্ট ও শনিবার ৮ আগস্ট কর্মবিরতির ডাক দিয়েছেন, ৯ আগস্ট রয়েছে জেল ভরো কর্মসূচী। এই কর্মবিরতির কারণ হিসাবে জানা যাচ্ছে মহামারী পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকেই এই কর্মীরা বিশেষত আশা, অঙ্গনওয়াড়ি, আইসিডিএস কর্মীরা প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা হিসাবে কাজ করে চলেছেন অথচ তাঁদের না আছে ন্যায্য বেতন, না আছে সুরক্ষার উপযুক্ত পরিকাঠামো। এমনকি দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে আশা, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের কাজ করতে গিয়ে মৃত্যুর খবরও পাওয়া গেছে। কোভিড ১৯ সংক্রমণের সময় থেকেই তাঁরা এই বিষয়গুলির প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছিলেন, কিন্তু কোনও সময়োপযোগী ব্যবস্থা এখনও নেওয়া হয়নি, সেইজন্যই এই তিনদিনব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচী নেওয়া হয়। সুদর্শনা চক্রবর্তীর প্রতিবেদন।

 

 

সেন্ট্রাল ট্রেড ইউনিয়ন আইএনটিইউসি, এআইটিইউসি, সিআইটিইউ, এআইইউটিইউসি, টিইউসিসি, এসইডব্লিউএ (সেওয়া), এআইসিসিটিইউ, এইচএমএস, এলপিএফ, ইউটিইউসি এগুলির দ্বারা স্বীকৃত প্রকল্প কর্মী-দের যে ইউনিয়ন বা ফেডারেশনগুলি রয়েছে সারা দেশ জুড়ে, তাদের একটি যুক্ত মঞ্চের ডাকেই দেশব্যাপী এই প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন অসংখ্য প্রকল্প কর্মী-রা। দেশের নানা প্রান্তে নানাভাবে আন্দোলন চলেছে। পশ্চিমবঙ্গে এর চিত্রটি কেমন ছিল তা জানা গেল কর্মীদের ও ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে।

 

এ রাজ্যে প্রকল্প কর্মী’ অর্থাৎ অঙ্গনওয়াড়ি, আশা, মিড ডে মিল, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন, ইত্যাদি বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা দেশব্যাপী কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ কর্মসূচীকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েও কাজ বন্ধ রাখেননি। কারণ পশ্চিমবঙ্গে এখন কোভিড সংক্রমণ পরিস্থিতি যে পর্যায়ে রয়েছে তার মধ্যে দাঁড়িয়ে স্বাস্থ্যকর্মী হিসাবে তাঁরা মানবিক দিক থেকে এই কর্মবিরতিতে যোগ দিতে পারেননি। হাতে কালো ব্যাজ পরে তাঁরা তাঁদের কাজে যোগ দিয়েছেন। কেন্দ্র সরকারের কাছে ২৫ দফা দাবি পেশের পাশাপাশি ছিল রাজ্য সরকারের কাছেও নির্দিষ্ট কিছু দাবিদাওয়া। রাজ্যের সব জেলাতেও ছোট-বড় প্রতিবাদ জমায়েত করা হয় এই দাবিগুলিকে নিয়ে আলোচনার জন্য তারপর স্থান নির্দিষ্টভাবে পুরসভা, পঞ্চায়েত, ব্লক অফিসে নির্দিষ্ট দাবিগুলি নিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছে লিখিত ডেপুটেশন জমা দেওয়া হয়।

 

কথা হচ্ছিল হাওড়া পাঁচলা ব্লক-এর আশা কর্মী রূপালি বাগের সঙ্গে। বললেন, সমর্থন সর্বতোভাবে করছি এই কর্মবিরতি ও প্রতিবাদ। কিন্তু স্বাস্থ্যকর্মী হিসাবে আমরা কেউ নিজেদের কাজ বন্ধ করতে পারি না পশ্চিমবঙ্গের এখনকার অবস্থায়। তাই ডিউটি আমরা করছি, মানুষের পাশে থেকেই প্রতিবাদ করছি। আমাদের একটা দাবি যেমন নির্দিষ্ট বেতন, তেমনি আমাদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য মাস্ক, স্যানিটাইজার, পিপিই ইত্যাদির জন্যও আমরা প্রথম থেকে দাবি জানিয়ে আসছি। কী ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়েছেন এই কয়েক মাসে এই প্রশ্নের উত্তরে রূপালি জানালেন পরিযায়ী শ্রমিকেরা যখন গ্রামে ফিরছেন তাঁদের কোভিড নিয়ে সচেতন করতে গেলেই পাঁচটা ছোট-বড় কথা শুনতে হচ্ছে, আমাদেরই উল্টে নানা প্রশ্ন করছে। তাছাড়া আমরা গর্ভবতী মা, সদ্যোজাত শিশু, তাদের টিকা ইত্যাদি নিয়েও তো কাজ করি। সংক্রমণ যাতে না হয় তারজন্য অতিরিক্ত সতর্ক তো থাকতেই হবে। কিন্তু তার ব্যবস্থাটা কে করবে? 

 

আশা কর্মীদের প্রতিদিন ৪০-৫০টি বাড়ি ভিজিট করতে হয়। এই কর্মীদের কোনও নির্দিষ্ট বেতন স্থির নেই, কারণ কেন্দ্র কোনও নির্দিষ্ট ভাতা বরাদ্দ করেনি। বিভিন্ন কাজের জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট পরিমাণ সাম্মানিক, যা খুবই সামান্য। রাজ্য সরকার ৩৫০০ টাকার ভাতা দিচ্ছেন প্রায় এক বছরের কাছাকাছি, যা আদৌ যথেষ্ঠ নয়। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত কেন্দ্র সরকার ১০০০ টাকা করে দিলেও, জুলাই থেকে তা বন্ধ হয়ে গেছে। রূপালির কথায় আক্ষেপ, যে হারে একটুও ফাঁকি না দিয়ে আমরা পরিশ্রম করি, সেরকম মাইনে পাই না আমরা। আশার কথা নিয়মিত তাঁদের কোভিড পরীক্ষাটা অন্তত করা হচ্ছে, বিনামূল্যে।

 

হাওড়া পাঁচলার আশা ইউনিয়ন-এর সভাপতি শিখা গায়েনের বক্তব্যও অনেকটাই এক রকম। পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতার কাজেই যে সবচেয়ে বেশি সমস্যার মধ্যে পড়তে হচ্ছে তা স্পষ্ট বললেন তিনি। গ্রামের স্কুল বা অন্যত্র তাদের কোয়ারেন্টাইন-এ থাকার ব্যবস্থা করতে গিয়ে অন্যান্য গ্রামবাসীদের থেকে বাধা, হুমকির সামনে পড়তে হচ্ছে, প্রশাসনের সাহায্যও নিতে হচ্ছে। বারেবারেই তাঁর কথায় ফিরে এল, এরকম মহামারীর সময়ে মানুষের পাশে থেকেই আমাদের কাজ চালিয়ে যেতে হবে, অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হলেও আমরা কাজ বন্ধ করতে পারি না। তবে এই প্রতিবাদ কর্মসূচী এখন খুবই জরুরি আমাদের দাবি আদায়ের জন্য। মাস্ক, স্যানিটাইজার-ও আমাদের নিজেদেরই কিনতে হচ্ছে। এই যে ঝুঁকি নিয়েও কাজ চালিয়ে যাচ্ছি আমাদের একটা ন্যূনতম মাইনের দাবি তো ন্যায্য। শিখা আরও জানালেন যে এই লকডাউন, দূরত্ববিধি মানা ইত্যাদির ফলে যদি তাঁদের কোনও কাজ আটকে যাচ্ছে, তাহলে সেই খাতে বরাদ্দ টাকাও কেটে নেওয়া হচ্ছে যেমন তাঁদের প্রতি মাসের নির্দিষ্ট মিটিং। এরফলে মাসের শেষে তাঁরা হাতে যে টাকা পাচ্ছেন, তাও অত্যন্ত কম। হাওড়ার পাঁচলা ব্লকে-ই আশা কর্মীর সংখ্যা প্রায় ১৯০।

 

পশ্চিমবঙ্গ সংগ্রামী আশা ইউনিয়ন-এর সভাপতি কল্যাণী গোস্বামী জানালেন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তিনদিন ব্যাপী এই প্রতিবাদ কর্মসূচীতে আশাব্যঞ্জক সাড়া মিলেছে। তিনি জানালেন, আশা কর্মীদের বিভিন্ন জায়গায় কাজের পরিকাঠামো, ব্যবস্থাপনা ইত্যাদির চূড়ান্ত রকম অসুবিধা রয়েছে। এখন তো এমনকি কোভিড-এর সময়ে তাঁদের প্রাণহানির সম্ভাবনাও রয়েছে, ইতিমধ্যেই তো আমরা বেশ কিছু আশা কর্মীর মৃত্যুর খবর দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকেই পেয়েছি। কল্যাণী জানালেন ৭, ৮, ৯-এর কর্মসূচীর পাশাপাশি তাঁরা ১৩ আগস্ট ঋণমুক্তি আন্দোলনেরও একটি কর্মসূচী নিয়েছেন। যেখানে মাইক্রোফিনান্স বা ক্ষুদ্র ঋণ সংস্থাগুলি যাতে মহামারী পরিস্থিতিতে আগামী এক বছরের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, মিড-ডে মিল কর্মী, স্বনির্ভর দলগুলির ঋণ মকুব করেন সেই দাবি তোলা হবে।

 

সিআইটিইউ-এর পক্ষ থেকে মৃণাল রায়চৌধুরি বললেন পশ্চিমবঙ্গে প্রকল্প কর্মীদের মধ্যে আশা কর্মীদের সংখ্যাই সবচাইতে বেশি। তাছাড়া আইসিডিএস, মিড ডে মিল-এর কর্মীদের সংখ্যাও যথেষ্ঠ। উদয়াস্ত পরিশ্রম করলেও, প্রায় ২৪ ঘন্টা ডিউটির জন্য প্রস্তুত থাকতে হলেও তাঁদের সাম্মানিক ছাড়া, ন্যূনতম বেতনের ব্যবস্থাটুকুও নেই। কাজের কোনও নিরাপত্তা নেই। আইএলও যেখানে তাঁদের এই ন্যূনতম মজুরির ব্যবস্থা করতে বলেছেন, সেখানে ভারত আইএলও-র সদস্য হওয়া সত্ত্বেও এই নির্দেশ মানছে না। তিন দিনের প্রতিবাদ কর্মসূচীতে তাই ন্যূনতম বেতন, সামাজিক সুরক্ষার দাবিগুলিই বেশি করে তুলে ধরা হচ্ছে, জানালেন তিনি।

 

অন্যদিকে আইএনটিইউসি-এর তরফে চন্দ্ররেখা পান্ডে জানালেন, তাঁদের পূর্ণ সমর্থন থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে সংগঠন জোরদার না হওয়ায় তারা সরাসরি প্রতিবাদ কর্মসূচীতে অংশ নিতে পারছেন না। তবে আশা কর্মীদের দাবিদাওয়ার বিষয়টি নিয়ে তাঁদের মধ্যে আলোচনা চলছে, খুব শীঘ্রই তাঁরা এ বিষয়ে কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছেন। 

 

সিআইটিইউ-এর কলকাতা জেলা সম্পাদিকা মীতা ঘোষ জানালেন, আজ তাঁরা কলকাতার ধর্মতলায় করোনা নিয়মবিধি মেনে এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন। কলকাতায় আশা কর্মীর সংখ্যা কম হলেও আইসিডিএস, মিড ডে মিল কর্মীরা, পার্শ্ব শিক্ষকেরা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে তাঁরা কলকাতা পুরসভায় মেয়রের সঙ্গে দেখা করে ডেপুটেশন জমা দেন। 

 

সমগ্র শিক্ষা মিশনের অর্ন্তভুক্ত সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে কো-অর্ডিনেটের পদটি রাজ্য স্তরে শিক্ষাবন্ধু হিসাবে পরিচিত। পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে প্রায় ৪০০০ শিক্ষাবন্ধু রয়েছেন। গাইঘাটায় শিক্ষাবন্ধু হিসাবে কাজ করেন নন্দ দুলাল দাস, জানালেন আমাদের এখানে নিখিলবঙ্গ শিক্ষাবন্ধু সমিতি, শিক্ষাবন্ধু যৌথ মঞ্চ ও শিক্ষাবন্ধু ঐক্য মঞ্চ একসাথে এই কর্মসূচীতে অংশ নিচ্ছে। প্রায় ৩২০০ শিক্ষাবন্ধু তিন দিনের কর্মসূচীতে শামিল হয়েছেন।

 

কোভিড ১৯ পরিস্থিতিতে এই প্রথম সারির যোদ্ধারা প্রতিবাদে শামিল হয়েও কর্মবিরতি করেননি এ রাজ্যে। সারা দেশে তাঁদের দাবিদাওয়া এই প্রথম বড়ভাবে সামনে আসছে। প্রাণ দিয়েও দায়িত্ব পালন করছেন তাঁরা। এখন দেখার সরকার, প্রশাসন তাঁদের প্রতি কতটা মানবিক হন ও নৈতিক কর্তব্য পালন করেন। 

 

কেন্দ্র সরকারের কাছে যে দাবিগুলি পেশ করা হল তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য —

 

১) ৫০ লক্ষ টাকার বীমাসহ ফ্রন্টলাইন কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রয়োজনে বিনামূল্যে উপযুক্ত কোভিড সংক্রমণের চিকিৎসার নিশ্চয়তা। 

 

২) কোভিড ১৯ কাজে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজে নিযুক্ত আশা ও আইসিডিএস কর্মীদের মাসে অতিরিক্ত ১০,০০০ টাকা ভাতা অবিলম্বে দিতে হবে। সমস্ত বকেয়া বেতন ও অন্যান্য ভাতা অবিলম্বে কর্মীদের দিতে হবে। 

 

৩) সমস্ত ফ্রন্টলাইন কর্মীদের সুরক্ষা সরঞ্জাম, বিশেষত স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কর্মরতদের উপযুক্ত স্বাস্থ্য সরঞ্জাম (পিপিই) ও কন্টেন্টমেন্ট অঞ্চল ও রেড জোনে নিযুক্তদের নিয়মিত পিপিই কিট সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। নিয়মিত, বিনামূল্যে সমস্ত ফ্রন্টলাইন কর্মী ও তাদের পরিবারের সকল সদস্যদের কোভিড ১৯ পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে ও ৬০ বছরের উর্দ্ধে ও অসুস্থ কোনো কর্মীকে কোভিড ১৯-এর কাজে নিযুক্ত করা যাবে না। 

 

৪) কর্মরত অবস্থায় যে কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের অতিরিক্ত ১০ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

 

৫) ৪৫ ও ৪৬ তম শ্রম সম্মেলনের সুপারিশগুলিকে কার্যকরী করে সমস্ত প্রকল্প কর্মীদের জন্য ন্যূনতম মাসিক পারিশ্রমিক, ১০,০০০ টাকা মাসিক পেনশন এবং পিএফ ও ইএসআই সুনিশ্চিত করতে হবে।  

 

রাজ্য সরকারের কাছে আলাদাভাবে করা দাবি  

 

  • মিড ডে মিল কর্মীদের দাবি

 

ক) করোনা পরিস্থিতিতে কোনওভাবেই ছাত্র সংখ্যার অনুপাত দেখিয়ে কর্মী সংকোচনের নামে কর্মীদের বরখাস্ত করা যাবে না।

খ) মিড ডে মিল কর্মীদের ১০ মাসের পরিবর্তে ১২ মাসের বেতন ও সামাজিক সুরক্ষা দিতে হবে।

গ) অবিলম্বে বেতন বৃদ্ধি সহ উৎসব ভাতা চালু করতে হবে।

 

  • আশা কর্মীদের দাবি

 

ক) ফ্রন্টলাইন কর্মী হিসাবে করোনা পরিস্থিতিতে আশা কর্মীদের অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় সরকারের ১০০০ টাকা ও রাজ্য সরকারের ১০০০ টাকা ইন্সেন্টিভ বকেয়া সহ প্রদান করতে হবে।

খ) অবিলম্বে বেতন বৃদ্ধি সহ উৎসবকালীন ভাতা প্রদান করতে হবে।

 

  • আইসিডিএস কর্মীদের দাবি

 

ক) অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের প্রাক-প্রাথমিকের পড়ুয়াদের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির আগে সার্টিফিকেট দেবার ব্যবস্থা করতে হবে।

খ) অবিলম্বে বেতন বৃদ্ধিসহ সামাজিক সুরক্ষা ও অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন দেবার ব্যবস্থা করতে হবে।

 

  • সমগ্র শিক্ষা মিশনের কর্মীদের দাবি

 

ক) সম কাজে সম বেতন প্রদান সাপেক্ষে সমস্ত অস্থায়ী শিক্ষক, প্রশিক্ষক ও শিক্ষা কর্মীদের স্থায়ীকরণ করতে হবে এবং নতুন শিক্ষানীতি অনুসারে ২০২২-এর মধ্যে সকল শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের কাজকে সুনিশ্চিত করতে হবে।

খ) কেন্দ্রীয় সরকারের আর্থিক অনুদান ৬০% ও রাজ্য সরকারের আর্থিক অনুদান ৪০%কে পরিষ্কারভাবে প্রকাশ করতে হবে। 

 

 
লেখক ডকুমেন্টারি নির্মাতা এবং স্বতন্ত্র সাংবাদিক

 

Share this
Leave a Comment