প্রিভেনশন অফ অ্যাট্রো‌সিটি অ্যাক্ট-এর ধারা শিথিল করার বিরুদ্ধে পালিত হল ‘জাতীয় প্রতিরোধ দিবস’

0
298

সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট প্রিভেনশন অফ অ্যাট্রোসিটি অ্যাক্ট বিষয়ক এক মামলার রায় দিতে গিয়ে বলে, আপাতগ্রাহ্য সাক্ষ্যপ্রমাণ না থাকলে অভিযুক্তের আগাম জামিন মঞ্জুর হতে পারে। প্রধানত এই রায়ের বিরুদ্ধে এবং ২রা এপ্রিল গ্রেফতার হওয়া দলিত-আদিবাসী মুক্তির দাবিতে পয়লা মে পালিত হল ‘প্রতিরোধ দিবস’।

গ্রাউন্ড‌জিরো:জাতীয় প্রতিরোধ দিবস‘ পালিত হল। দলিত ও আদিবাসীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার নিরোধক আইনটিকে (SC and ST Prevention of Atrocity Act) জোরদার করার লক্ষ্যেই বিভিন্ন দলিত ও আদিবাসী সংগঠন এই ‘প্রতিরোধ দিবস’ পালন করে। যোগ দেয় একাধিক বামপন্থী সংগঠন। পয়লা মে ২২টি রাজ্যের ৭০টি শহরের প্রায় ৫০০টি সংগঠনের যুক্তমঞ্চ ‘ন্যাশনাল কোয়ালিশন ফর স্ট্রেংথদেনিং দ্য প্রিভেনশন অভ অ্যাট্রোসিটিজ অ্যাক্ট (NCSPA) এই প্রতিবাদ দিবস পালনের ডাক দেয়।

২০ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট এই আইন বিষয়ক এক মামলার রায় দিতে গিয়ে বলে, আপাতগ্রাহ্য সাক্ষ্যপ্রমাণ (prima facie evidence) না থাকলে অভিযুক্তের আগাম জামিন মঞ্জুর হতে পারে। প্রধানত এই রায়ের বিরুদ্ধে এবং ২ এপ্রিল ভারত বন্ধে গ্রেফতার হওয়া দলিত, আদিবাসী মুক্তির দাবিতে এই প্রতিবাদের ডাক দেওয়া হয়। প্রতিবাদে অংশ নিয়েছিল দলিত শোষণ মুক্তি মোর্চা, আইডিয়াল দলিত এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, এশিয়া দলিত রাইটার্স ফোরাম, সিপিআই, সিপিআই (এম) এবং অন্যান্য সংগঠন।

দাবির তালিকা
  • প্রিভেনশন অভ অ্যাট্রোসিটিজ অ্যাক্ট (১৯৮৯) বা পিওএ (PoA)-কে ২০মার্চ-এর কোর্ট অর্ডার-এর পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
  • পিওএ (১৯৮৯) এবং তার ২০১৫-র অ্যামেন্ডমেন্ট-কে সংবিধানের ৯ম সূচীর অন্তর্ভুক্ত ক’রে আইনি রদবদলের থেকে রক্ষা করতে হবে।
  • ২রা এপ্রিল ভারত বন্ধের সমস্ত রাজনৈতিক বন্দির অবিলম্বে মুক্তি, এবং ঐদিনের ঘটনায় দলিতদের উপর আক্রমণকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার।
  • আক্রান্ত ব্যক্তি ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীর অধিকারের ভিত্তিতে পিওএ (১৯৮৯) এবং তার নিয়মাবলী (১৯৯৫)-কে যথাযথ ভাবে লাগু করতে হবে।
  • পিওএ-এর সেকশন ১৪ অনুসারে প্রত্যেক জেলায় অ্যাট্রোসিটি কেস-এর জন্য বিশেষ আদালত গঠন করতে হবে, যে আদালতে আর কোনো ধরণের মামলা গ্রাহ্য হবে না।
  • পিওএ-এর রুল ৪(৫) অনুসারে আক্রান্ত ব্যক্তির ইচ্ছানুযায়ী সরকারি উকিল নির্বাচনের অধিকারকে মান্যতা দিতে হবে।
  • অ্যাট্রোসিটি অ্যামেন্ডমেন্ট (২০১৫)-র ৪ নম্বর ধারা অনুসারে এই ধরণের মামলায় নিজের দায়িত্বে গাফিলতি অথবা অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সাঁটে থাকা সরকারি এবং পুলিশ অফিসারদের উপর নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে।
  • তামিলনাড়ু সরকারের উদাহরণ মেনে, আক্রান্ত ব্যক্তির আর্থসামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে পুনর্বাসন, রোজগার এবং পেনশন দেওয়ার জন্য যাবতীয় নিয়মাবলী নির্ধারণ করার জন্য সমস্ত রাজ্য সরকারকে আদেশ দিতে হবে।
  • জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এবং SC-ST কমিশনকে অট্রসিটির মামলা এবং পিওএ-এর বাস্তবায়ন সম্পর্কিত মামলার দেশব্যাপী জনশুনানি করতে হবে। রাজ্য সরকারগুলির থেকে এই সম্পৰ্কিত বার্ষিক রিপোর্ট কমিশনকে আদায় করতে হবে, এবং সেই রিপোর্ট সংসদে পেশ করতে হবে।
  • সংসদে সেশন চলাকালীন পিওএ-এর রূপায়ন বিষয়ে নিয়মিত আলোচনা করতে হবে, এবং কেন্দ্রীয়, রাজ্য এবং জেলাস্তরে পিওএ সঠিকভাবে লাগু করার জন্য “এনফোর্সমেন্ট অথরিটি” গঠন করতে হবে।
  • অনুন্নত দলিত আদিবাসী বসতি, জাতিগত ভাবে আক্রান্ত বসতি, এবং আগুনে বিধ্বস্ত দলিত-আদিবাসী বসতি – সকলকে SC প্ল্যান, ST প্ল্যান, এবং অন্যান্য আপৎকালীন তহবিল-এর আর্থিক সাহায্যে জমি, যথাযোগ্য বাসস্থান, পরিষ্কার পানীয় জল, শৌচাগার, নিকাশি ও জঞ্জাল সাফ করার ব্যবস্থা, এবং অন্যান্য পরিকাঠামো নিশ্চিত করতে হবে।
  • সংবিধানের ২৪৪ ধারা অনুসারে সূচিত এলাকায় জাতিগত আক্রমণ করতে সচেষ্ট এমন লোকেদের অবিলম্বে সেই সকল এলাকা থেকে বহিষ্কার করতে হবে।

দেশব্যাপী বিক্ষোভের জেরে সুপ্রিম কোর্টের ২০ মার্চ-এর রায়কে স্থগিত রাখার জন্য অ্যাপিল করে কেন্দ্রীয় সরকার। সুপ্রিম কোর্ট যদিও কেন্দ্রের এই পিটিশন না-মঞ্জুর করে। কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এই মামলার আইনজীবী ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল কে কে ভেনুগোপাল। ভেনুগোপাল একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ এবং বাবরি মসজিদ মামলায় শীর্ষ আদালতে এল কে আদবানি, উমা ভারতী ও মুরলী মনোহর যোশীর মতো শীর্ষস্থানীয় বিজেপি নেতা ও করসেবকদের প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৯০ সালে ভেনুগোপাল মণ্ডল কমিশন রিপোর্টের আংশিক বাস্তবায়নকে (ওবিসি-দের জন্য ২৭ শতাংশ চাকরি সংরক্ষণ) স্থগিত রাখার দাবিতে মামলা লড়েন

যাই হোক, পিওএ-র বিষয়ে ভেনুগোপাল বলেন শীর্ষ আদালতের ২০ মার্চের রায় ‘ভুল’। বিচারপতি আদর্শ কুমার গোয়েল এবং বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত গঠিত বেঞ্চকে সরকার এই রায় স্থগিত রাখার এবং মামলাটিকে একটি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানোর আবেদন করে। জাস্টিস গোয়েল-এর আগে “অখিল ভারতীয় অধিবক্তা পরিষদ”-এর জেনারেল সেক্রেটারি-র দায়িত্ব পালন করেছেন। আরএসএস-এর এই আইনজীবী সংগঠন নিয়ে আমরা আগেও লিখেছি। এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা করেন রাম জেঠমালানি, গুমান মাল লোধা, উদয় উমেশ ললিত-এর বাবা উমেশ ললিত এবং অন্যান্যরা। উদয় ললিত মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় অভিযুক্তদের প্রতিনিধিত্ব করেন। সোহরাবুদ্দিন ও লক্ষ্মী প্রজাপতির ফেক এনকাউন্টার-এ অন্যতম অভিযুক্ত বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ-র হয়েও তিনি মামলা লড়েন। যদিও কিছু রিপোর্ট অনুযায়ী, অমিত শাহ মামলার কোনো শুনানিতেই ললিত আদালতে উপস্থিত ছিলেন না

বিচারপতি আদর্শ গোয়েল এবং বিচারপতি উদয় ললিত কেন্দ্রের এই রিভিউ পিটিশন খারিজ করে দেন এবং জানান, “[২০ মার্চের] রায় বলেনি যে কোনও অপরাধ নথিভুক্ত করা হবে না বা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হবে না। নিরাপত্তার উদ্দেশ্য ছিল, কোনও ব্যক্তিকে সহজেই গ্রেফতার বা নির্দোষ ব্যক্তির শাস্তি যাতে না হয়। কারণ এসসি/এসটি আইনের অধীনে আগাম জামিনের ব্যবস্থা ছিল না।” তাছাড়াও এই বেঞ্চ ২০ মার্চের রায়ে বলেছিল, “…সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতার করার জন্য নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি দরকার এবং বেসরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতার করার জন্য অনুমতি নিতে হবে পুলিশের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট-এর। এবং যথাযথ ক্ষেত্রে অনুমতি পাওয়া যেতে পারে যদি নথিভুক্ত কারণগুলি ন্যায্য বিবেচিত হয়।”

২ এপ্রিল কেন্দ্রের নিজের দায়ের করা পিটিশন অনুসারে “আগাম জামিনের উপর নিষেধাজ্ঞা” হচ্ছে ১৯৮৯-এর পিওএ-র মেরুদণ্ড। কিন্তু সেই সরকারেরই উকিল ভেনুগোপাল সুপ্রিম কোর্টের আগাম জামিন মঞ্জুর করার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেননি। ১৯৮৯-এর আইনে আগাম জামিনের উপর নিষেধাজ্ঞার কারণ, জামিনে ছাড়া পাওয়া অভিযুক্ত শোষিত ব্যক্তির উপর মামলা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিচারপতি গোয়েল প্রশ্ন করেন, “কেন্দ্র যখন শীর্ষ আদালতের (এই বেঞ্চের) সাথে একমত যে অ্যাট্রোসিটি আইনের অপব্যবহার হচ্ছে, তাহলে কেন এই রিভিউ পিটিশন?” অ্যাটর্নি জেনারেল এই প্রশ্নের কোনও উত্তর দেননি। আদালতের মন্তব্য, আইনটি অপব্যবহার হচ্ছে এবং এটি জাতি বিবাদকে (‘perpetuate casteism’) বাড়িয়ে তুলতে পারে। এই দুটি মন্তব্যেরও মোকাবিলা করতে পারতেন অ্যাটর্নি জেনারেল।

২০১৭-এ দাখিল করা সর্বশেষ রিপোর্টে পুলিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, পিওএ-র অধীনস্থ ২১৫০টি মামলা “সত্য কিন্তু সাক্ষী ছিল অপর্যাপ্ত”, ৫৩৪৭টি মামলা “মিথ্যা” এবং ৮৬৯টি মামলায় “তথ্য ভুল” থেকে থাকতে পারে।

Photo: Erum Gour

ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো (NCRB)-র রিপোর্ট অনুসারে ২০১৬ সালে ৮৫-৯০ শতাংশ এ-বিষয়ক মামলা অমীমাংসিত থেকে গেছেএনসিআরবি-র ২০০৭-১৬ রিপোর্ট অনুসারে এই আইনে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার খুব কম, এসসি-দের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্যে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে ২৮.৮ শতাংশ এবং এসটি-দের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে ২৫.২ শতাংশ। কিছু রাজ্যে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার হার খুব কম। যেমন পশ্চিম বাংলায় ২০১৬ সালে এসসি/এসটি আইনে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে শূন্য শতাংশ এবং কর্ণাটকে এসসি-দের বিরুদ্ধে অপরাধ করার জন্যে ২.৮ শতাংশ। পুরনো কিছু রিপোর্ট অনুসারে নৃশংস অপরাধের ক্ষেত্রেও পুলিশ প্রশাসন এই আইনের অবমাননা করে থাকে। রিপোর্টটিতে এও উল্লেখ করা হয় যে, এই ধরণের বহু ঘটনায় পুলিশ যে শুধু মামলা দায়ের করতে অস্বীকার করে তাই নয় উলটে বিভিন্ন ভাবে অভিযোগকারীদের মামলা দায়ের করার থেকে নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করে। বেশ কিছু রিপোর্টে দেখা গেছে যে এই ধরণের মামলায় তদন্তকারী অফিসাররা জাতের ভিত্তিতে ভেদাভেদ করে। মামলা দায়ের করার ক্ষেত্রে এসসি/এসটি সম্প্রদায়ের মহিলাদের হার আরও কম। এনসিআরবি-র রিপোর্ট অনুসারে ২০১৬ সালে প্রত্যেক দিন ছ’জন দলিত নারী ধর্ষণের শিকার হন এবং প্রত্যেক ১৫ মিনিটে এদেশে অন্তত একজন দলিত আক্রান্ত হন। শেষ দশকে (২০০৭-২০১৭) দলিতদের উপর অত্যাচার ৬৬% বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৭ সালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নিজস্ব রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “পিওএ-র প্রতিবন্ধকারী বিধান থাকা সত্ত্বেও, এসসি ও এসটি জনজাতির মানুষদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান অত্যাচার সরকারের উদ্বেগের কারণ” এবং আরও বলা হয়, “অতএব, আইনটিকে শক্তিশালী এবং আইনের প্রাসঙ্গিক বিধানগুলিকে আরও কার্যকর করে তোলা দরকার।” আইনটিকে প্রাসঙ্গিক এবং শক্তিশালী করে তোলার জন্যে (পিওএ) অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট(Amendments Act), ২০১৫ পাশ করা হয়। ন্যাশনাল কোয়ালিশন ফর স্ট্রেংথেনিং দ্য পিওএ এন্ড ইটস ইমপ্লিমেন্টেশন-এর প্রধান উপদেষ্টা পি এস কৃষ্ণণ, ২০০৯ সালে এই আইনের উপর একটি খসড়া তৈরি করেন। তাঁর নিজের বক্তব্য অনুযায়ী ২০১৫-র আইনটি এখনো দলিত/আদিবাসীদের সামূহিক হত্যা এবং ধর্ষণ বন্ধ করার প্রশ্নে ব্যর্থ। অথচ ২০১৭-এ দাখিল করা সর্বশেষ রিপোর্টে পুলিশ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, পিওএ-র অধীনস্থ ২১৫০টি মামলা “সত্য কিন্তু সাক্ষী ছিল অপর্যাপ্ত”, ৫৩৪৭টি মামলা “মিথ্যা” এবং ৮৬৯টি মামলায় “তথ্য ভুল” থেকে থাকতে পারে।

“পিওএ-র অপব্যবহার হচ্ছে।” – শীর্ষ আদালতের এই বক্তব্য তথ্যের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত করা যায় না । দলিত বুদ্ধিজীবী কাঞ্চা ইলাইয়া সুপ্রিম কোর্টের রায় নিয়ে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের আইনজীবীরা আদালতে কোনো বক্তব্যই রাখেননি। সম্প্রতি বেশ কিছু রায়-ই রিজারর্ভেশন বিরোধী ছিল।” তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা পুরনো একটি মামলার বিষয়ে বলেন, “বিজেপি নিজের দলিত সদস্যদের দিয়ে এসসি/এসটি পিওএ-র অধীনে আমার বিরুদ্ধে মামলা করে। এফআইআর-এ তাদের বক্তব্য ছিল তারাও দলিত হিন্দু এবং এই বইটি (তাঁর লিখিত, পোস্ট-হিন্দু ইন্ডিয়া: আ ডিসকোর্স ইন দলিত – বহুজন, স্যোশিও-স্পিরিচুয়াল এন্ড সায়েন্টিফিক রেভলুশন) তাঁদের (ধর্মীয়) অনুভূতিতে আঘাত করেছে। এটি স্পষ্টভাবে অপব্যবহার, কিন্তু এই ধরনের অপব্যবহার ব্যতিক্রমী।” তিনি শাসক দলের রাজনীতি নিয়ে বলেন, “বিজেপি দলিত সমতার জন্য নয় এবং আরএসএস-ও নয়… তারা চায় যে ভবিষ্যতে ভারতে আম্বেদকর-এর এই সংবিধান যেন অনুসরণ না করা হয়।”

সরকার কি তার নিজের তথ্যে বিশ্বাস করে না যে ‘ভায়োলেন্স’ বেড়েছে? সামনেই ২০১৯-এর নির্বাচন। কিন্তু এই দিয়ে কি শাসক দল দলিত আদিবাসী সম্প্রদায়ের অসন্তোষকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে?

Share this

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY